SAFC

২৮ বছর পর সাউথ আফ্রিকার বড় চমক, প্রথমবার বিশ্বকাপ নকআউটে জায়গা করে নিল দল

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ সাউথ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার নকআউট পর্বে উঠেছে সাউথ আফ্রিকা। থাপেলো মাসেকোর জয়সূচক গোলে ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ইতিহাস গড়েছে দলটি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ সাউথ আফ্রিকা বড় অঘটন ঘটিয়েছে। দলটি সাউথ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছে। ম্যাচটি অত্যন্ত কঠিন ছিল, কিন্তু সাউথ আফ্রিকা শেষ পর্যন্ত নিজেদের চাপ বজায় রেখেছিল। এই জয়ের সঙ্গে দলটি গ্রুপ স্টেজের বড় বাধা পেরিয়ে ইতিহাস গড়েছে।

মাসেকোর গোল হয়ে উঠল জয়ের নায়ক

সাউথ আফ্রিকার এই ঐতিহাসিক জয়ের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন থাপেলো মাসেকো। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর দুর্দান্ত গোল ম্যাচের চিত্র বদলে দেয়। গোল হতেই মাঠে থাকা খেলোয়াড় এবং ভক্তরা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। সাউথ কোরিয়া সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সাউথ আফ্রিকার ডিফেন্স লাইন তাদের কোনও বড় সুযোগ দেয়নি। শেষ বাঁশি বাজতেই খেলোয়াড়দের চোখে আনন্দের জল দেখা যায়।

১৯৯৮ থেকে শুরু হয়েছিল সফর

সাউথ আফ্রিকা প্রথমবার ১৯৯৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপ খেলেছিল। এরপর দলটি অনেকবার যোগ্যতা অর্জনের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ে এবং গত তিন বিশ্বকাপে জায়গা করতে পারেনি। এবার দলটি শুধু ফিরেই আসেনি, বরং নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। ২৮ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর সাউথ আফ্রিকা প্রথমবার নকআউট স্টেজের টিকিট অর্জন করেছে।

গ্রুপ এ-তে টপ-২-এ জায়গা

সাউথ আফ্রিকা গ্রুপ এ-তে তিন ম্যাচ খেলে চার পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। দলটি মেক্সিকোর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে হেরেছিল, কিন্তু এরপর খেলোয়াড়রা হাল ছাড়েননি। একটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল এবং সাউথ কোরিয়ার বিরুদ্ধে পাওয়া জয় দলটিকে টপ-২-এ পৌঁছে দেয়। এই ফল দেখায় যে ছোট ব্যবধানেও বড় টুর্নামেন্টে পুরো সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

সাউথ কোরিয়ার বেড়েছে সমস্যা

সাউথ কোরিয়ার জন্য এই হার বড় ধাক্কা। দলের খেলোয়াড়রা ম্যাচের পরে হতাশ দেখিয়েছেন কারণ নকআউটে পৌঁছানোর পথ এখন আর তাদের হাতে নেই। তাদের এখন বাকি গ্রুপগুলোর ফল এবং সেরা তৃতীয় স্থানের দলগুলোর অবস্থার দিকে নজর রাখতে হবে। সাউথ কোরিয়ার আশা এখনও শেষ হয়নি, কিন্তু সামনের পথ অনেক কঠিন হয়ে গেছে।

এবার নকআউটে নতুন চ্যালেঞ্জ

সাউথ আফ্রিকার জন্য এবার আসল পরীক্ষা শুরু হবে। নকআউট রাউন্ডে একটি হার দলের সফর শেষ করে দিতে পারে, তাই চাপ আগের চেয়ে বেশি থাকবে। কিন্তু সাউথ কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর পর খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস অবশ্যই বেড়েছে। ২৮ বছর পর পাওয়া এই বড় সাফল্য সাউথ আফ্রিকার ফুটবল ভক্তদের উদযাপনের সুযোগ দিয়েছে, এখন সবার নজর দলের পরের ম্যাচের দিকে থাকবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button