
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর আগে বড় বিতর্ক, ঘুষের মামলায় গ্রেপ্তার ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর আগে বড় বিতর্কে জড়াল জাফনা কিংস। ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় সহ-মালিক ও সাবেক অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার মনজোত কালরাকে গ্রেপ্তার করেছে শ্রীলঙ্কার ক্রীড়া দুর্নীতি দমন ইউনিট। মামলার তদন্ত এখনও চলছে।
শ্রীলঙ্কার লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শুরু হওয়ার ঠিক আগে বড় বিতর্ক সামনে এসেছে। ভারতের সাবেক অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটার এবং জাফনা কিংসের সহ-মালিক মনজোত কালরাকে শ্রীলঙ্কার ক্রীড়া দুর্নীতি দমন ইউনিট গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে এক খেলোয়াড়কে কথিতভাবে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত চলছে।
পুরো ঘটনাটি কী?
শ্রীলঙ্কা পুলিশের দাবি, লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর প্রায় ১০ দিন আগে মনজোত কালরা এক খেলোয়াড়কে কথিতভাবে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তের ভিত্তিতে মনজোত কালরাকে গ্রেপ্তার করে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়।
খেলোয়াড়দের অভিযোগের পর ব্যবস্থা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাফনা কিংসের খেলোয়াড় ভানুকা রাজাপাকসে, আভিষ্কা ফার্নান্দো এবং দুনিথ ভেলালাগে এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এরপর ক্রীড়া দুর্নীতি দমন ইউনিট তদন্ত শুরু করে। বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থাগুলো ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে। অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই জানা যাবে।
আগেও বিতর্কে জড়িয়েছে এই লিগ
এটি প্রথমবার নয়, যখন লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় এসেছে। এর আগেও লিগ-সংশ্লিষ্ট একটি ঘটনায় ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এবার আবারও টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই নতুন বিতর্ক সামনে এল।
কে এই মনজোত কালরা?
মনজোত কালরা ২০১৮ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস খেলে ভারতকে শিরোপা জিততে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই দলে শুভমান গিল এবং পৃথ্বী শ-এর মতো ক্রিকেটারও ছিলেন। পরে তিনি লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের দল জাফনা কিংসের সহ-মালিক হন।
তদন্ত শেষ হওয়ার অপেক্ষা
বর্তমানে মনজোত কালরার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত চলছে। আদালতের পক্ষ থেকেও এখনও এই মামলায় কোনো চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়নি। তাই অভিযোগের বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত তদন্ত এবং বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই সামনে আসবে।





