
নাবালিকা খেলোয়াড়কে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, পলাতক কাবাডি কোচ গ্রেপ্তার
তামিলনাড়ুতে ১৭ বছর বয়সী এক কাবাডি খেলোয়াড়কে কথিত যৌন নির্যাতনের অভিযোগে পলাতক থাকা এক কোচকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
তামিলনাড়ুতে ১৭ বছর বয়সী এক কাবাডি খেলোয়াড়কে কথিত যৌন নির্যাতনের অভিযোগে পলাতক থাকা এক কাবাডি কোচকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে গ্রেপ্তার এড়িয়ে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত তাকে কোডাইকানাল থেকে আটক করা হয়। বর্তমানে ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
পকসো আইনে মামলা দায়ের
পুলিশ জানিয়েছে, ২৯ বছর বয়সী ওই কাবাডি কোচের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ঘিরে পকসো (POCSO) আইন-সহ সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর মহিলা থানায় এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক ছিল।
সহখেলোয়াড়দের নজরে আসে আচরণের পরিবর্তন
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, জুন মাসে ভুক্তভোগীর সঙ্গে অনুশীলন করা সহখেলোয়াড়রা তার আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন এবং অস্বস্তির লক্ষণ লক্ষ্য করেছিলেন। এরপর বিষয়টি সামনে আসে এবং আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযোগ পাওয়ার পর সমস্ত প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত সব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে
আইন অনুযায়ী, নাবালিকা ভুক্তভোগীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষ এবং সংবাদমাধ্যমের কাছেও আবেদন জানিয়েছে, যেন ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করা হয় এবং তার পরিচয় প্রকাশ করতে পারে এমন কোনো তথ্য শেয়ার না করা হয়।
পকসো মামলায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের ক্ষেত্রে পকসো আইন অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এ ধরনের মামলায় পুলিশি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য হলো ভুক্তভোগীর অধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা।