SAFC

অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের ওপর সুন্দরল্যান্ডের বড় বাজি, বেলজিয়ামের থমাস মুনিয়ারকে এত বছরের জন্য দলে নিল!

সুন্দরল্যান্ড নতুন মৌসুমের আগে বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার থমাস মুনিয়ারকে দুই বছরের চুক্তিতে দলে নিয়েছে। পিএসজি, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও লিলে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে আসা মুনিয়ারের ওপর প্রিমিয়ার লিগ ও ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় বড় আশা রাখছে ক্লাব।

প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব সুন্দরল্যান্ড নতুন মৌসুমের আগে তাদের প্রথম বড় সই সম্পন্ন করেছে। ক্লাবটি বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার থমাস মুনিয়ারকে ফ্রি ট্রান্সফারে দুই বছরের চুক্তিতে দলে নিয়েছে। ৩৪ বছর বয়সী মুনিয়ার ফরাসি ক্লাব লিল ছাড়ার পর সুন্দরল্যান্ডে যোগ দিয়েছেন। মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর ক্লাব আনুষ্ঠানিকভাবে তার সঙ্গে চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। এখন তিনি আগস্টের শুরুতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু করবেন।

বড় ক্লাবের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছেন

থমাস মুনিয়ার ইউরোপের একাধিক বড় ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। তিনি লিলের হয়ে দুই মৌসুমে ৮১টি ম্যাচ খেলেছেন, যেখানে ৪টি গোল এবং ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। এর আগে তিনি ট্রাবজোনস্পোর, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের মতো দলের অংশ ছিলেন। প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের সঙ্গে তিনি তিনটি লিগ শিরোপাও জিতেছেন। গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনি ৩৫টি ম্যাচ খেলে নিজের গুরুত্ব প্রমাণ করেছেন।

বেলজিয়ামের হয়েও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা

মুনিয়ার আন্তর্জাতিক ফুটবলেও বেলজিয়ামের নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন। তিনি ২০১৩ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক করেন এবং এখন পর্যন্ত ৮৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। তিনি ২০১৮ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠা বেলজিয়াম দলের সদস্য ছিলেন এবং ২০২৬ বিশ্বকাপেও তিনটি ম্যাচ খেলেছেন। তার এই অভিজ্ঞতা সুন্দরল্যান্ডের তরুণ দলকে অনেক উপকার দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্লাবের উচ্চাকাঙ্ক্ষায় মুগ্ধ

মুনিয়ার বলেছেন, প্রিমিয়ার লিগে খেলা তার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল। তিনি জানান, সুন্দরল্যান্ডের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য তাকে খুবই আকৃষ্ট করেছে। তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগও এই সিদ্ধান্তের বড় কারণ, কারণ প্রতিটি খেলোয়াড়ই বিশ্বের সেরা দলগুলোর বিরুদ্ধে নিজেকে প্রমাণ করতে চায়।

ইউরোপীয় চ্যালেঞ্জের জন্য শক্ত প্রস্তুতি

গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে সপ্তম স্থান অর্জন করে সুন্দরল্যান্ড ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিল। তাই ক্লাবটি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করার কাজে নেমেছে। মুনিয়ারের সই সেই কৌশলেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। ক্লাবের আশা, তার নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা শুধু দলকে শক্তিশালীই করবে না, তরুণ খেলোয়াড়দের উন্নতিতেও বড় ভূমিকা রাখবে।

নতুন মৌসুমে বড় প্রত্যাশা

সুন্দরল্যান্ডের সমর্থকদের আশা, মুনিয়ারের অভিজ্ঞতা দলের পারফরম্যান্সে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ক্লাবের লক্ষ্য ঘরোয়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ইউরোপেও প্রভাব ফেলা। তাই অভিজ্ঞ বেলজিয়ান ডিফেন্ডারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এখন সবার নজর থাকবে, তিনি প্রিমিয়ার লিগ এবং ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় সুন্দরল্যান্ডের হয়ে কতটা বড় অবদান রাখতে পারেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button