SAFC

Pakistan-এ ফুটবল ম্যাচ রণক্ষেত্র, Bangladeshও হতবাক, Army-WAPDA খেলোয়াড়দের লাইভ মারামারি ভাইরাল

পাকিস্তান ন্যাশনাল গেমসের সেমিফাইনাল শেষে Army ও WAPDA খেলোয়াড়রা ভয়ংকর মারামারিতে লিপ্ত হয়ে মাঠকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে। লাইভ সম্প্রচারে ধরা পড়া ঘটনাটি ভাইরাল হয়ে Pakistan ফুটবলের ভাবমূর্তি নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে।

পাকিস্তান ন্যাশনাল গেমসের ফুটবল সেমিফাইনালে Pakistan Army এবং WAPDA-র মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু ম্যাচ শেষ হতেই মাঠ খেলাধুলার জায়গা না থেকে পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে-কেউ ঘুষি মারে, কেউ লাথি। পুরো ঘটনাটি লাইভ সম্প্রচারে ধরা পড়ে এবং মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। Bangladesh এবং অন্যান্য দেশের ফুটবল ভক্তরাও ভিডিওটি দেখে স্তব্ধ হয়ে যায় যে পাকিস্তানে একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট এভাবে সহিংসতায় ভরে উঠল।

রাগের কারণ কী ছিল?
রিপোর্ট অনুযায়ী বিরোধ শুরু হয় যখন Army দল জয়ের পর WAPDA-র ডাগআউটের সামনে গিয়ে উদযাপন করে। WAPDA খেলোয়াড়দের মনে হয় এটি তাদের উসকানি দেওয়ার চেষ্টা, আর সেখান থেকেই সংঘর্ষ শুরু হয়। WAPDA-র ক্ষোভের আরেকটি কারণ ছিল ম্যাচ চলাকালীন প্রতিপক্ষকে দেওয়া সেই পেনাল্টি, যেটিকে তারা ভুল মনে করছিল। ম্যাচে হার এবং পেনাল্টির সিদ্ধান্ত তাদের রাগ আরও বাড়িয়ে দেয়। মুহূর্তেই দুই দলের খেলোয়াড়েরা মুখোমুখি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

রেফারিকে টার্গেট করা হয়
অবিশ্বাস্য হলেও, ঘটনা শুধু মাঠেই থেমে থাকেনি। বেশ কয়েকজন WAPDA খেলোয়াড় ম্যাচ রেফারিকে ধাওয়া করে চেঞ্জিং রুমে ঘিরে ফেলে। স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী রেফারিকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়, তবে উপস্থিত কর্মকর্তারা ও অন্যান্য খেলোয়াড়রা সময়মতো এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, কর্মকর্তাদের খেলোয়াড়দের থামাতে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। ঘটনায় অনেক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাও আহত হন, যা পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তোলে।

PFF এবং Olympic Association-এর তদন্ত শুরু
Pakistan Football Federation এবং Pakistan Olympic Association ঘটনাটির ওপর নজর দিয়েছে। দুই সংস্থা স্পষ্ট জানিয়েছে যে ম্যাচ শেষে হওয়া এই সহিংসতা জাতীয় স্তরের খেলাধুলার মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। PFF কর্মকর্তার মতে দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের নোটিস পাঠানো হবে। ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরাও ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এটি খেলাধুলার চেতনাকে সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আঞ্চলিক ফুটবলের ভাবমূর্তির ওপর প্রশ্ন তোলে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button