SAFC

টপ-৪-এ শান দিয়ে Sunderland-এর এন্ট্রি, লে ফে হলেন থ্রিলারের নায়ক, ০-২ থেকে ৩-২—উলটে দিল পুরো ম্যাচ, পড়ুন

Sunderland ০-২ পিছিয়ে থেকেও ৩-২ জিতে টপ-৪-এ ফিরলো। লে ফে পেনাল্টি ও অ্যাসিস্টে ম্যাচের নায়ক, আর Bournemouth টানা অ্যাওয়ে হারে পতনে।

প্রিমিয়ার লিগে হওয়া এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে Sunderland এমন এক কামব্যাক দেখাল যা স্টেডিয়াম অব লাইটকে কাঁপিয়ে দিল। Bournemouth শুরুর মিনিটগুলোতেই লিড নিয়ে নিয়েছিল। সপ্তম মিনিটে অ্যান্টনি সেমেনিয়োর ক্রস থেকে আমিন আদলি গোল করেন। এর আট মিনিট পর টাইলার অ্যাডামস সেন্টার সার্কেল থেকে দুর্দান্ত লং-রেঞ্জ শট নিয়ে স্কোর ২-০ করে দেন। শুরুতে ভাল খেলেও হঠাৎই দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে Sunderland। কিন্তু দল হাল ছাড়েনি। ৩০তম মিনিটে আলেক্স স্কট বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় Sunderland এবং এনজো লে ফে দুর্দান্ত শটে গোল করে ফিরে আসার শুরুটা করেন।

মিনিটে সমতা, তারপর ম্যাচটাই ঘুরিয়ে দিল Sunderland
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা ছিল এক কথায় দুর্দান্ত। ৪৬তম মিনিটে গ্রানিট জাকা নিখুঁত পাস দেন বোর্ত্রঁ ট্রাওরেকে এবং তিনি শান্ত মাথায় বল জালে পাঠিয়ে স্কোরলাইন ২-২ করেন। Bournemouth-ও চেষ্টা করেছিল ফিরে আসার, এমনকি ইভানিলসন একটি মুহূর্তে বল জালে পাঠান, কিন্তু তিনি অফসাইড ধরা পড়েন। দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে। কিন্তু ম্যাচের আসল মোড় আসে ৬৯তম মিনিটে, যখন লে ফের কর্নার থেকে ব্রায়ান ব্রোব্বে দুর্দান্ত হেডারে Sunderland-কে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

রেড কার্ডে ভাঙল Bournemouth-এর রিদম, শক্ত থাকল Sunderland
শেষ মুহূর্তে Bournemouth সমতা ফেরানোর জন্য জোরালো চেষ্টা চালায়। কিন্তু Sunderland-এর ডিফেন্স ছিল দেয়ালসম মজবুত। স্টপেজ টাইমে লুইস কুক নোয়া সাদিকিকে কনুই মারলে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। এই লাল কার্ডে Bournemouth-এর রিদম একেবারে ভেঙে পড়ে এবং তাদের ফিরে আসার আশা প্রায় শেষ হয়ে যায়। অন্যদিকে, Sunderland দারুণভাবে লিড ধরে রেখে জয়ের দিকে এগিয়ে যায়। পুরো ম্যাচে লে ফে মিডফিল্ডে অসাধারণ খেলেন—একটি পেনাল্টি গোল এবং একটি নির্ণায়ক কর্নার থেকে অ্যাসিস্ট, যা তাঁকে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ এনে দেয়।

Sunderland-এর টপ-৪-এ ফেরা, Bournemouth-এর সংকট বাড়ল
এই দুর্দান্ত ৩-২ জয়ের মাধ্যমে Sunderland টানা তিন ম্যাচে না জেতার (D2, L1) হতাশা কাটিয়ে প্রিমিয়ার লিগ টেবিলে টপ-৪-এ প্রবেশ করল। এই শক্তিশালী জয় প্রমাণ করল দলের লড়াকু মানসিকতা এবং তাদের চমৎকার হোম ফর্মের (W4, D3) ধারাবাহিকতা। অন্যদিকে, Bournemouth-এর অবস্থাই খারাপ। শেষ ছয় ম্যাচে মাত্র এক জয়, সঙ্গে টানা তৃতীয় অ্যাওয়ে হারে তারা নেমে গেল নবম স্থানে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button