
বিনেশ ফোগাটকে নিয়ে বড় সংঘর্ষ, হাইকোর্ট থেকে স্বস্তি পাওয়ার পর এবার সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছল WFI
Vinesh Phogat-কে এশিয়ান গেমস 2026 নির্বাচনী ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছে Wrestling Federation of India। বিষয়টি এখন পৌঁছেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে, যেখানে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হবে। মামলাটি এখন শুধু বিনেশের প্রত্যাবর্তন নয়, বরং নির্বাচন নীতি, খেলোয়াড়দের অধিকার এবং ক্রীড়া প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়েও বড় বিতর্ক তৈরি করেছে।
বিনেশ ফোগাটকে এশিয়ান গেমস 2026 নির্বাচনী ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত ঘিরে এবার বড় আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশন অর্থাৎ WFI হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছে। এখন এই মামলার শুনানি শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে হবে। ক্রীড়াজগতের নজর এখন এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিকে।
সুপ্রিম কোর্টে কী হবে?
মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বিচারপতি পি.এস. নরসিমহা এবং বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করবে। WFI-র দাবি, বিনেশ ফোগাটকে নির্বাচনী ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া ফেডারেশনের নিয়মের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল যে নির্বাচনী নীতি বৈষম্যমূলক বলে মনে হচ্ছে এবং মাতৃত্বকালীন ছুটির পর ফিরে আসা একজন খেলোয়াড়কে সুযোগ দেওয়া উচিত।
দিল্লি হাইকোর্ট কী বলেছিল?
দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ 22 মে তাদের নির্দেশে বলেছিল যে বিনেশের মতো মর্যাদাপূর্ণ খেলোয়াড়ের জন্য নির্বাচনী নীতিতে বিশেষ বিবেচনার সুযোগ থাকা উচিত। আদালত তাকে 30 এবং 31 মে হওয়া ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। পাশাপাশি ট্রায়ালের ভিডিও রেকর্ডিং করানো এবং সেখানে SAI ও IOA-র স্বাধীন পর্যবেক্ষক উপস্থিত থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
WFI কেন বিরোধিতা করছে?
WFI-র দাবি, অবসর নেওয়ার পর ফিরে আসার সময় বিনেশ ফোগাট ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড রেসলিংয়ের অ্যান্টি-ডোপিং নিয়ম মানেননি। ফেডারেশনের মতে, কোনো খেলোয়াড়কে প্রত্যাবর্তনের জন্য অন্তত 6 মাস আগে নোটিস দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই কারণ দেখিয়েই WFI তাকে জুন 2026 পর্যন্ত ঘরোয়া প্রতিযোগিতা থেকে অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। পরে বিনেশ সেই সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জ করেন।
এখন পুরো ক্রীড়াজগতের নজর সিদ্ধান্তে
বিনেশ ফোগাটের মামলা এখন শুধু একজন খেলোয়াড়ের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই মামলা এখন ক্রীড়া নিয়ম, খেলোয়াড়দের অধিকার এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার সঙ্গেও জড়িয়ে গেছে। একদিকে WFI নিজেদের নিয়মের কথা বলছে, অন্যদিকে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের বড় অংশ বিনেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন সবার নজর সুপ্রিম কোর্টের শুনানির দিকে, যেখানে ঠিক হবে বিনেশ এশিয়ান গেমস ট্রায়ালে নামতে পারবেন কি না





