
বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস এবং ৪৭ রানে হারিয়ে বড় জয় পেল, মাহমুদুল-জয় এবং মুরাদ এনে দিল বড় সাফল্য।
বাংলাদেশ সিলেট টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ও ৪৭ রানে হারিয়ে বড় জয় পায়। মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১, শান্তর ১০০ এবং মুরাদের ৪ উইকেট ম্যাচ জয়ের মূল ভিত্তি তৈরি করে। চারদিনেই ম্যাচ শেষ করে দাপট দেখায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ সিলেটে হওয়া টেস্ট ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস এবং ৪৭ রানে হারিয়ে চার দিনের মধ্যেই ম্যাচ শেষ করে দেয়। এই জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল মাহমুদুল হাসান জয়ের ১৭১ রান, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ১০০ রান এবং বোলার হাসান মুরাদের ৪ উইকেট। এই সব পারফরম্যান্স মিলেই বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায় এবং দলকে একতরফা জয় এনে দেয়। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস ছিল ৫৮৭/৮ ডিক্লেয়ার, যার জবাবে আয়ারল্যান্ড দুই ইনিংসে মাত্র ২৮৬ এবং ২৫৪ রান তুলতে পারে।
নাহিদ রানা উইকেট এনে পরিবেশ বদলাল
আয়ারল্যান্ড চতুর্থ দিনে লাঞ্চের পর পর্যন্ত ম্যাচ টেনে কিছুটা লড়াই দেখায়। তৃতীয় দিনে অর্ধেক দল হারালেও অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ধৈর্য ধরে ৫২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। আঙুলে চোটের কারণে দেরিতে নামা অ্যান্ডি বালবার্নি ৩৮ রান করেন এবং তিনি ম্যাকব্রাইনের সঙ্গে সপ্তম উইকেটে ৬৬ রান যোগ করেন। কিন্তু লাঞ্চের পর দ্বিতীয় বলেই নাহিদ রানা ম্যাকব্রাইনকে পুল শটে মিডউইকেটে ক্যাচ করিয়ে বাংলাদেশকে বড় সাফল্য এনে দেন।
DRS আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সিদ্ধান্ত ফেরাল
এরপর আয়ারল্যান্ডের ইনিংস কিছুক্ষণ ব্যারি ম্যাকারথি (২৫) এবং জর্ডান নিল (৩৬)-এর ওপর ভর করে টিকে ছিল। দু’জন নবম উইকেটে ৫৪ রান যোগ করে বাংলাদেশকে কিছুটা অপেক্ষায় রাখে, কিন্তু শেষে ম্যাকারথি আউট হতেই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। এর আগে সকালে DRS আয়ারল্যান্ডের পক্ষে কয়েকটি সিদ্ধান্ত বদলায়, যার মধ্যে হামফ্রিজ এবং ম্যাকব্রাইনের রিভিউ ছিল। তবুও মুরাদ বালবার্নিকে এলবিডব্লিউ করে চাপ বাড়িয়ে দেন। আয়ারল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস শুরু থেকেই ৩০১ রানে পিছিয়ে ছিল। পল স্টার্লিং ৪৩ রানের ইনিংস খেলে কিছু আশা দেখালেও তার রানআউট দলকে ভেঙে দেয়। চতুর্থ দিনে মুরাদ, তাইজুল এবং অন্য বোলাররা মিলে আয়ারল্যান্ডকে সহজেই গুটিয়ে দেয়। সব মিলিয়ে জয়, শান্তো ও মুরাদের দারুণ পারফরম্যান্স বাংলাদেশকে বড় জয় এনে দেয়।





