
Sunderland-এর নজর লাজিও’র মিডফিল্ডার গুন্দুজির ওপর, জানুয়ারিতে হতে পারে বড় পরিবর্তন!
সান্ডারল্যান্ড জানুয়ারিতে লাজিওর মিডফিল্ডার মাত্তেও গুন্দুজিকে সাইন করতে চায়। পুরনো কোচ রেজিস লে ব্রিসের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ইংল্যান্ডে ফেরার ইচ্ছা তাকে সান্ডারল্যান্ডের দিকে ঝুঁকিয়েছে। লাজিওর আর্থিক সংকট ট্রান্সফার সহজ করতে পারে।
ইতালিয়ান রিপোর্ট অনুযায়ী, সান্ডারল্যান্ড লাজিও’র মিডফিল্ডার মাত্তেও গুন্দুজিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে তাকে সাইন করার পরিকল্পনা করছে। অ্যাস্টন ভিলাও দৌড়ে রয়েছে, কিন্তু গুন্দুজির পুরনো সম্পর্ক—লোরিয়ঁর যুব দলে রেজিস লে ব্রিসের অধীনে খেলার অভিজ্ঞতা—সান্ডারল্যান্ডকে তার পছন্দের গন্তব্য বানাচ্ছে। ২৬ বছরের এই ফরাসি মিডফিল্ডার প্রথমে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন একাডেমি থেকে উঠে আসেন, এরপর ২০১৪ সালে লোরিয়ঁতে যোগ দেন এবং দ্রুত সিনিয়র দলে জায়গা করে নেন। তার প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে আর্সেনাল ২০১৮ সালে £৭ মিলিয়ন খরচ করে তাকে দলে তোলে। উনাই এমেরির সময়ে তিনি নিয়মিত খেলতেন, কিন্তু মিকেল আর্তেতা আসার পর তার খেলায় কাটছাঁট হয়। শৃঙ্খলাজনিত বিতর্কও পরিস্থিতিকে কঠিন করে তোলে। তবুও হার্থা ও মার্সেইতে সফল লোন স্পেলের পর তিনি ২০২২ সালে £৯ মিলিয়নে স্থায়ীভাবে মার্সেইয়ে যোগ দেন।
লাজিওতে ভালো পারফরম্যান্স, কিন্তু আর্থিক সংকট বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে
কয়েক বছর আগে লাজিও তাকে সিজন-লং লোনে নেয়, যেখানে €১৫ মিলিয়ন + €৩ মিলিয়ন অ্যাড-অনসহ বাধ্যতামূলক বাই-ক্লজ ছিল। রোমে তিনি দলের মিডফিল্ডের মূল শক্তি হয়ে ওঠেন, কিন্তু ক্লাবের আর্থিক অস্থিতিশীলতা জানুয়ারিতে তার সম্ভাব্য ট্রান্সফারের জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে। গ্রীষ্মের উইন্ডোতে সান্ডারল্যান্ড ও ভিলা দু’দলই £২৬.৫ মিলিয়ন ভ্যালুয়ের গুন্দুজির বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দুই ক্লাব আবার আগ্রহ প্রকাশ করলে লাজিও তার অবস্থান নরম করতে পারে।
সান্ডারল্যান্ড কেন গুন্দুজির জন্য সঠিক অপশন?
গুন্দুজি নিজেও ইংল্যান্ডে দ্বিতীয় মেয়াদে খেলতে আগ্রহী এবং লে ব্রিসের প্রভাব তাকে সান্ডারল্যান্ডের দিকে টানছে। মে মাসে তিনি লে ব্রিসের প্রশংসা করে বলেছিলেন— কোচ সকাল-সন্ধ্যা ফুটবল নিয়েই বাঁচেন, সান্ডারল্যান্ডে তার সাফল্যে আমি মোটেও অবাক নই। সান্ডারল্যান্ড এই মুহূর্তে প্রিমিয়ার লিগে দারুণ ফর্মে আছে। এছাড়া গুন্দুজি তার আর্সেনালের সাবেক মিডফিল্ড পার্টনার গ্রানিত জাখার সঙ্গে আবারও জুটি বাঁধতে চান। ৩৩ বছর বয়সী সুইস তারকা এখনো মিডফিল্ডের মেরুদণ্ড, এবং তার সঙ্গে হাবিব দিয়ারা ও নোয়া সাদিকির মতো তরুণরা ধীরে ধীরে মানিয়ে নিচ্ছে।
দলের প্রয়োজন এবং খেলোয়াড়ের ভবিষ্যৎ—দুই দিকেই লাভ
দিয়ার ও সাদিকি দু’জনই প্রতিভাবান, কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবে তারা এখনো জাখার জায়গা পুরোপুরি নিতে পারছে না। ইউরোপের শীর্ষ লিগে নিয়মিত খেলা গুন্দুজি শুধুমাত্র মিডফিল্ডকে শক্তিশালী করবেন না, ভবিষ্যতে জাখার উত্তরসূরি হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারবেন। লাজিওর অস্থিরতা তাকে ফ্রান্স জাতীয় দলের বাইরে ঠেলে দিয়েছে, কিন্তু ইংল্যান্ডে সফল প্রত্যাবর্তন ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে আবারও দিদিয়ের দেশঁর নজরে ফিরিয়ে আনতে পারে।





