
টি-২০ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বড় পরীক্ষা, ২০২৬ সালে কোথায় কার সঙ্গে হবে লড়াই?
টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আগে বড় চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশের পরীক্ষা, আর বিশ্বকাপের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজ দিয়ে প্রস্তুতি নেবে আফগানিস্তান। দুই দলই ফেব্রুয়ারিতে নিজেদের শক্তি প্রমাণে মরিয়া।
২০২৬ সালের শুরুটা বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। দুই দলই সরাসরি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মুডে নামবে। বাংলাদেশ যেখানে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ছাড়াই সরাসরি বিশ্বকাপ ম্যাচ দিয়ে বছর শুরু করবে, সেখানে আফগানিস্তান প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজ খেলার সুযোগ পাবে। দুই দলের লক্ষ্য একটাই ফেব্রুয়ারিতে হওয়া এই বড় টুর্নামেন্টে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দিয়ে নকআউট পর্বে পৌঁছানো।
বাংলাদেশের জন্য কঠিন গ্রুপ চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০২৬ অভিযান শুরু করবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। প্রথম ম্যাচটি ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ডে-নাইট ম্যাচ হিসেবে খেলা হবে। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে ইতালি। ১৪ ফেব্রুয়ারি দলের সামনে থাকবে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, যাকে গ্রুপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হিসেবে ধরা হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ১৭ ফেব্রুয়ারি ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেপালের বিরুদ্ধে। এই চার ম্যাচে বাংলাদেশের চেষ্টা থাকবে শুরুতেই লিড নিয়ে পরের রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করা।
আফগানিস্তানের প্রস্তুতি প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে
আফগানিস্তান ক্রিকেট দল ২০২৬ শুরু করবে ১৯ জানুয়ারি থেকে। দলটি শারজায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলবে। এই সিরিজ বিশ্বকাপের আগে আফগান দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে ধরা হচ্ছে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে আফগানিস্তানের আসল পরীক্ষা, যখন তারা বিশ্বকাপের গ্রুপ ম্যাচে নামবে। ৮ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে এবং ১১ ফেব্রুয়ারি আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে লড়াই করবে আফগানিস্তান।
গ্রুপ ম্যাচেই হবে আসল পরীক্ষা
আফগানিস্তান গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলো খেলবে ১৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ইউএই-এর বিরুদ্ধে এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে কানাডার বিরুদ্ধে। শক্তিশালী বোলিং ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং আফগানিস্তানের পরিচয়, আর এই শক্তির জোরেই দল বড় অঘটনের আশা করছে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান দু’দলের কাছেই ২০২৬ শুধু নতুন বছর নয়, বরং নিজেকে প্রমাণ করার এক বড় মঞ্চ, যেখানে প্রতিটি ম্যাচ ভবিষ্যতের গল্প লিখতে পারে।





