
পাকিস্তান ম্যাচের আগে সচিনের এন্ট্রি, অনূর্ধ্ব 19 টিম ইন্ডিয়া পেল মাস্টার ব্লাস্টারের মন্ত্র, ম্যাচের খেলা কি বদলে যাবে?
পাকিস্তান ম্যাচের আগে অনূর্ধ্ব-19 টিম ইন্ডিয়া পেল সচিন তেন্ডুলকরের অনুপ্রেরণা। ভিডিও কলে মাস্টার ব্লাস্টারের মন্ত্রে বাড়ল আত্মবিশ্বাস। ভিভিএস লক্ষ্মণের নজরদারিতে বড় ম্যাচে জয়ের বিশ্বাস আরও শক্ত।
ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ মানেই সচিন তেন্ডুলকরের নাম আসবেই। অনূর্ধ্ব 19 বিশ্বকাপ 2026–এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ভারতীয় খেলোয়াড়রা এমন এক অভিজ্ঞতা পেল, যা পুরো ক্যাম্পের পরিবেশ বদলে দিল। জিম্বাবুয়েতে থাকা টিম ইন্ডিয়ার খেলোয়াড়দের কাছে সচিন তেন্ডুলকরের ভিডিও কল আসে। স্ক্রিনে মাস্টার ব্লাস্টারকে দেখামাত্রই সব খেলোয়াড় একসঙ্গে জড়ো হয়ে যায়। সবাই তাঁর কথা শুনতে চাইছিল। বিশেষ বিষয় ছিল, 27 মার্চ যিনি 15 বছরে পা দিতে চলেছেন সেই বৈভব সূর্যবংশী একদম সামনে বসে সচিনের কথা শুনছিলেন। এই মুহূর্তটা খেলোয়াড়দের কাছে শুধু কথোপকথন নয়, বরং এক স্মরণীয় শিক্ষা হয়ে থাকল।
অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে এল সহজ কিন্তু বড় শিক্ষা
সচিন তেন্ডুলকর ভিডিও কলে খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিজের কেরিয়ারের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বড় ম্যাচ জিততে গেলে শুধু প্রতিভা নয়, শৃঙ্খলা আর ধৈর্যও খুব জরুরি। সচিন ব্যাটিং ও বোলিংয়ের টেকনিক্যাল দিকের পাশাপাশি এটাও বোঝান যে চাপের সময় মাথা কীভাবে ঠান্ডা রাখতে হয়। তিনি বলেন, যখন সামনে পাকিস্তানের মতো দল থাকে, তখন আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কথাবার্তার শেষে খেলোয়াড়রা সচিনের সঙ্গে একটি সেলফিও তোলে, যা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এই কল খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
লক্ষ্মণের নজরদারিতে জয়ের খিদে
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে টিম ইন্ডিয়ার জন্য আরেকটি ভালো খবর রয়েছে। দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। ভিভিএস লক্ষ্মণ জিম্বাবুয়েতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কঠোর অনুশীলন করিয়েছেন। তিনি জানান, দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের মধ্যেই জয়ের প্রবল খিদে রয়েছে এবং সবাই নতুন কিছু শিখতে প্রস্তুত। লক্ষ্মণের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা ও ভরসা দুটোই দিচ্ছে। তাঁর মতে, যদি খেলোয়াড়রা নিজেদের উপর বিশ্বাস রাখে, তাহলে সবচেয়ে বড় ম্যাচও সহজ হয়ে যায়।
ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই নিশ্চিত
অনূর্ধ্ব 19 বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান দল 11 বার মুখোমুখি হতে চলেছে। এখনও পর্যন্ত হওয়া 10টি ম্যাচে দুই দলই 5টি করে ম্যাচ জিতেছে। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় লড়াই কতটা কঠিন হতে চলেছে। এবারে পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, ভারতীয় দল পুরো আত্মবিশ্বাস ও শক্ত প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে। সচিন তেন্ডুলকরের বার্তা, ভিভিএস লক্ষ্মণের ট্রেনিং আর খেলোয়াড়দের জয়ের খিদে মিলিয়ে এই ম্যাচকে আরও বিশেষ করে তুলছে। সমর্থকদের আশা, এবার টিম ইন্ডিয়া চাপের মধ্যে নয়, বরং পূর্ণ ভরসা নিয়ে পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ জানাবে।





