
রো-কো রাঁচিতে ভাঙবেন শচীন-দ্রাবিড়ের রেকর্ড, গম্ভীরের সামনে লিখবেন নতুন অধ্যায়, এক ক্লিকে পড়ুন
রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি রাঁচিতে শচীন-দ্রাবিড়ের রেকর্ড ভাঙতে চলেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে ভারত ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। সিরিজটি রোহিত-গম্ভীর যুগের জন্য ঐতিহাসিক হতে পারে।
ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ৩০ নভেম্বর থেকে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হচ্ছে এবং এই সিরিজ নানা কারণে বিশেষ। রাঁচিতে অনুষ্ঠিত প্রথম ম্যাচেই ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লেখা হবে। এই ম্যাচের সঙ্গে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি ভারতের হয়ে একসঙ্গে সর্বাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা জুটি হয়ে উঠবেন। তারা ভেঙে দেবেন শচীন তেন্ডুলকার ও রাহুল দ্রাবিড়ের ৩৯১ ম্যাচের রেকর্ড। এই অর্জন প্রমাণ করে ভারতীয় ক্রিকেটে দুই তারকার দীর্ঘ ও সফল যাত্রা।
ক্রিকেটের দাপুটে জুটিদের তালিকায় নতুন শীর্ষে রোহিত–কোহলি
ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে বহু জনপ্রিয় জুটি রয়েছে-শচীন-দ্রাবিড়, শচীন-গাঙ্গুলি, শচীন-কুম্বলে-যারা একসঙ্গে খেলেছেন শতাধিক ম্যাচ। দ্রাবিড়–গাঙ্গুলি জুটি একসঙ্গে খেলেছেন ৩৬৯ ম্যাচ, শচীন–কুম্বলে ৩৬৭ ম্যাচে একই দলে ছিলেন। শচীন–গাঙ্গুলি জুটি ৩৪১ ম্যাচে একসঙ্গে খেলেছেন। বিরাট কোহলি ও রবীন্দ্র জাদেজাও ৩০৯ ম্যাচ একসঙ্গে খেলেছেন। কিন্তু এবার সব জুটিকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থান দখল করবেন রোহিত–কোহলি, যারা আধুনিক ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল মুখ।
টেস্ট হারের কষ্ট, ওয়ানডেতে বড় প্রত্যাবর্তনের সুযোগ
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারত ০-২ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হেরেছে। তাই ওয়ানডে সিরিজটি ভারতের কাছে শুধু আরেকটি সিরিজ নয়, বরং সম্মান ফেরানোর বড় সুযোগ। ৩০ নভেম্বর রাঁচিতে প্রথম ম্যাচ, ৩ ডিসেম্বর রায়পুরে দ্বিতীয় এবং ৬ ডিসেম্বর বিশাখাপত্তনমে শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ঘরের মাঠে ভারতের পারফরম্যান্স সবসময়ই শক্তিশালী। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি দু’জনই প্রস্তুত, এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও ছন্দ দলকে ফিরিয়ে দিতে পারে জয়ের পথে।
ওয়ানডে ইতিহাসে আফ্রিকার দাপট, কিন্তু এবার ছবিটা বদলাতে পারে
রেকর্ড অনুসারে, ওয়ানডে ইতিহাসে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রভাব বেশি। ১৯৯১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দুই দলের মধ্যে ৯৪টি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে ৫১টি। ভারত জিতেছে ৩০টি এবং ৩টি ম্যাচ ছিল অনির্ধারিত। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ভারত নিজেদের মাঠে খেলছে এবং রোহিত–কোহলি দু’জনই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। টেস্টের হতাশার পর ভারতীয় দলের লক্ষ্য একটাই-সিরিজ জিতে আত্মবিশ্বাস ও সম্মান ফিরিয়ে আনা। রাঁচি, রায়পুর ও বিশাখাপত্তনমের পিচও ভারতের পক্ষে যেতে পারে।





