
পুরান-ক্রুণালের ঝামেলায় বাড়ল উত্তেজনা, ম্যাচের মাঝেই কি সত্যিই হাতাহাতি, ছবিতে চমকে গেল সবাই?
Nicholas Pooran এবং Krunal Pandya-র মাঠের উত্তপ্ত মুহূর্ত IPL 2026-এ নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। ভাইরাল ভিডিওতে হাতাহাতির জল্পনা বাড়লেও পরে দু’জনকে হাসতে ও আলিঙ্গন করতে দেখা যায়।
লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে লখনউ এবং বেঙ্গালুরুর ম্যাচ চলাকালীন এমন এক মুহূর্ত সামনে আসে যা দর্শকদের উত্তেজনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। রান নেওয়ার পর নিকোলাস পুরান এবং ক্রুণাল পাণ্ডিয়া মুখোমুখি হয়ে যান। দু’জনের মধ্যে তীব্র তর্ক দেখা যায় এবং ক্যামেরায় ধরা পড়ে তাঁদের রাগী অভিব্যক্তি। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। কিছুক্ষণের জন্য মনে হচ্ছিল বিষয়টি হাতাহাতি পর্যন্ত গড়াতে পারে এবং মাঠের পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
ভিডিও বাড়াল রহস্য
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আরও একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে নিকোলাস পুরানকে ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার কলার ধরে কথা বলতে দেখা যায়। সেই দৃশ্য দেখে ভক্তরা অবাক হয়ে যান এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। তবে পরের মুহূর্তেই দু’জনকে হাসতে এবং একে অপরকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায়। এরপর পরিষ্কার হয়ে যায় যে মাঠের উত্তেজনা শুধুই ম্যাচের চাপের অংশ ছিল। পরে দু’জনেই পরিস্থিতি হালকা করে দেন এবং বিষয়টি বড় বিতর্কে পরিণত হয়নি।
মার্শ ও পন্থের ঝড়
বৃষ্টিতে প্রভাবিত এই ম্যাচে লখনউয়ের ব্যাটিং ছিল বিস্ফোরক। মিচেল মার্শ শুরু থেকেই বেঙ্গালুরুর বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। দুরন্ত শতরান করে তিনি দলকে শক্ত জায়গায় পৌঁছে দেন। মার্শ আউট হওয়ার পর অধিনায়ক ঋষভ পন্থ দ্রুত রান তুলে স্কোরকে 19 ওভারে 209 রানে নিয়ে যান। নিকোলাস পুরানও ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে দলকে বড় স্কোর পেতে সাহায্য করেন।
বেঙ্গালুরুর খারাপ শুরু
210 রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেঙ্গালুরুর শুরুটা খুবই খারাপ হয়। বিরাট কোহলি এবং জ্যাকব বেথেল দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। এরপর অধিনায়ক রজত পাটিদার দায়িত্ব নেন এবং দ্রুত রান তুলতে থাকেন। তিনি 31 বলে 61 রান করে ম্যাচকে উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলেন। শেষ ওভারগুলিতে টিম ডেভিডও বিস্ফোরক ব্যাটিং করেন এবং বেঙ্গালুরুকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান। এতে লখনউ শিবিরে চাপ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।
দিগ্বেশ ঘুরিয়ে দিল ম্যাচ
যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ পুরোপুরি বেঙ্গালুরুর দিকে চলে যাচ্ছে, তখনই তরুণ বোলার দিগ্বেশ রাঠি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। শেষ ওভারে তিনি দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে বড় শটের সুযোগই দেননি। রোমারিও শেফার্ড এবং ক্রুণাল পাণ্ডিয়া খুলে খেলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত লখনউ 9 রানে ম্যাচ জিতে নেয়। পুরান-ক্রুণালের উত্তপ্ত মুহূর্ত, মার্শের ঝড়ো ব্যাটিং এবং দিগ্বেশের অসাধারণ শেষ ওভার এই ম্যাচকে মরশুমের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচগুলোর একটি করে তুলেছে।





