
মিডল ইস্ট যুদ্ধের প্রভাব ওয়ার্ল্ড কাপের উপর, ভারতে আটকে দলের ফেরা স্থগিত, এখন কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন খেলোয়াড়রা
মিডল ইস্টে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে টি20 ওয়ার্ল্ড কাপ 2026 চলাকালীন জিম্বাবুয়ে দলের দেশে ফেরা স্থগিত হয়েছে। দুবাই ট্রানজিট বাতিল হওয়ায় দল দিল্লিতে আটকে আছে। আইসিসি বিকল্প রুট খতিয়ে দেখছে।
মিডল ইস্টে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হয়েছে। আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলার পর ইরানও পাল্টা ব্যবস্থা শুরু করেছে। বহু এলাকায় মিসাইল হামলা এবং আকাশপথ বন্ধ থাকার খবর রয়েছে। এই উত্তেজনার প্রভাব এখন ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলা টি20 ওয়ার্ল্ড কাপ 2026-এই পড়তে শুরু করেছে। খেলার মাঝেই হঠাৎ তৈরি হওয়া পরিস্থিতি একটি দলের ফেরা আটকে দিয়েছে।
সুপার আট থেকে ছিটকে, নতুন সমস্যা শুরু
জিম্বাবুয়ের দল সুপার আট পর্যায় থেকে ছিটকে গিয়েছিল। তারা দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলেছিল। হারের সঙ্গে তাদের যাত্রা শেষ হয় এবং দল বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি শুরু করে। কিন্তু মিডল ইস্টে বাড়তে থাকা উত্তেজনার কারণে তাদের যাত্রা আটকে যায়।
আকাশপথ বন্ধ, উড়ান বাতিল
জিম্বাবুয়ের দলকে দিল্লি থেকে দুবাই হয়ে হারারে ফিরতে কথা ছিল। খেলোয়াড়রা ভিন্ন সময়ে উড়ান ধরার কথা ছিল। কিছু সদস্য ভোরে রওনা হওয়ার কথা ছিল, আর বাকিরা দিনে যেতেন। কিন্তু যুদ্ধের কারণে দুবাইসহ বহু বড় ট্রানজিট হাব প্রভাবিত হয়েছে। অনেক উড়ান বাতিল হয়েছে বা পথ বদলে চালানো হচ্ছে, যার ফলে দলের ফেরা আপাতত বন্ধ রয়েছে।
দিল্লিতে বাড়ানো হয়েছে অবস্থান
এখন জিম্বাবুয়ের দল দিল্লিতেই অবস্থান করছে। খেলোয়াড় ও সহকারী স্টাফদের জন্য হোটেলে 4 মার্চ পর্যন্ত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দল পরিচালনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। খেলোয়াড়রা নিরাপদে আছেন, কিন্তু কবে তারা বাড়ি ফিরতে পারবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
আয়োজকদের বিকল্প পরিকল্পনা
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিষদ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিকল্প ব্যবস্থার কাজ শুরু করেছে। অন্য দেশের রুট দিয়ে দলকে পাঠানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইউরোপ বা এশিয়ার অন্যান্য আকাশপথ নিয়েও ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি একটি বিশেষ সহায়তা ডেস্ক গড়া হয়েছে, যা ভ্রমণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছে।
খেলার চেয়ে বড় হয়ে উঠল পরিস্থিতি
এই ঘটনা দেখায় যে আন্তর্জাতিক উত্তেজনার প্রভাব খেলাতেও পড়তে পারে। জিম্বাবুয়ের দল আপাতত ভারতে নিরাপদে রয়েছে, কিন্তু বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আছে। সকলের নজর এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার দিকে, যাতে খেলোয়াড়রা নিরাপদে নিজেদের দেশে পৌঁছাতে পারেন এবং এই অনিশ্চয়তার অবসান হয়।





