Cricket

আইপিএল হয়ে উঠল সোনার খনি, ভিউয়ারশিপ থেকে ভ্যালুয়েশন সব রেকর্ড ভাঙল, এক ক্লিকে পড়ুন পুরো খবর

Indian Premier League এখন সোনার খনি। ভিউয়ারশিপ, মিডিয়া রাইটস ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ভ্যালুয়েশনে নতুন রেকর্ড গড়ে লিগ বিশ্ব ক্রীড়া ব্যবসার অন্যতম শক্তিশালী ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।

আইপিএল ২০২৬-এ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ক্রেজ ক্রমাগত নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচের আগেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে লক্ষ লক্ষ দর্শক যুক্ত হয়ে গিয়েছিল। টসের সময় এই সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে এবং ম্যাচ শুরু হতেই কোটি কোটি মানুষ লাইভ দেখতে শুরু করে। মাত্র ৪০ মিনিটে ভিউয়ারশিপে ৪৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি প্রমাণ করে দিয়েছে যে আইপিএল এখন শুধু খেলা নয়, বরং একটি বড় ডিজিটাল ইভেন্টে পরিণত হয়েছে।

ভ্যালুয়েশন চমকে দিল
আইপিএল দলগুলির মূল্যও ক্রমাগত আকাশ ছুঁচ্ছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ভ্যালু প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছে, আর রাজস্থান রয়্যালসের মূল্য ধরা হয়েছে ১.৬৩ বিলিয়ন ডলার। এটি দেখায় যে এই লিগ এখন গ্লোবাল বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী ‘অ্যাসেট’ হয়ে উঠেছে, যেখানে ঝুঁকি কম এবং লাভ প্রায় নিশ্চিত।

ডিমান্ড এবং সাপ্লাইয়ের খেলা
আইপিএলে মাত্র ১০টি দল থাকলেও বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের মিডিয়া রাইটস চুক্তি প্রতিটি দলের জন্য স্থির আয়ের নিশ্চয়তা দিয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৭-এর জন্য মিডিয়া রাইটস প্রায় ৪৮,৩৯০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা দলগুলিকে বিশাল লাভ এনে দিচ্ছে। এই কারণেই আইপিএল বিনিয়োগের দিক থেকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।

ইতিহাস থেকে আজ পর্যন্ত যাত্রা
২০০৮ সালে যখন আইপিএল শুরু হয়েছিল, তখন দলগুলির মূল্য ছিল কোটি টাকায়। আজ সেই দলগুলির মূল্য হাজার হাজার কোটি ছুঁয়েছে। রাজস্থান রয়্যালসের ভ্যালুতে ২০০০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি হয়েছে। এই বৃদ্ধি দেখায় যে আইপিএল খেলা এবং ব্যবসাকে একসঙ্গে যুক্ত করে একটি নতুন মডেল তৈরি করেছে।

বিশ্বের নম্বর-১ লিগ হওয়ার পথে
আজ আইপিএলের ইকোসিস্টেম ১৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হয়ে গেছে। আয়ের দিক থেকে এখন এর সামনে শুধু ন্যাশনাল ফুটবল লিগ রয়েছে। আগামী দিনে নতুন মিডিয়া রাইটস এবং দলের সংখ্যা বাড়লে এর মূল্য ২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। স্পষ্ট যে আইপিএল এখন শুধু ক্রিকেট নয়, বরং ভারতের অর্থনীতির একটি বড় ‘পাওয়ার হাউস’ হয়ে উঠেছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button