Cricket

গুজরাটের আতঙ্ক বাড়ছে! আহমেদাবাদ হয়ে উঠেছে দুর্গ, এবার ট্রফি থেকে মাত্র 2 ধাপ দূরে জিটি

চেন্নাইকে 89 রানে হারিয়ে গুজরাট টাইটান্স আইপিএল 2026 প্লে-অফের আগে বড় বার্তা দিল। শুভমন গিল, সাই সুদর্শন ও বোলারদের দাপটে আহমেদাবাদ এখন জিটির অজেয় দুর্গে পরিণত হয়েছে।

আইপিএল 2026 এখন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, কিন্তু প্লে-অফের আগে গুজরাট টাইটান্স পুরো টুর্নামেন্টকে বড় বার্তা দিয়ে দিয়েছে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে 89 রানের জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতা নয়, বরং বাকি দলগুলোর জন্য সরাসরি সতর্কবার্তা। ট্রফি জিততে হলে আগে গুজরাটের এই মেশিনকে থামাতে হবে। দল এখন 18 পয়েন্ট নিয়ে টপ-2-এর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

গিল আর সুদর্শনের জুটি হয়ে উঠল শক্তি

আহমেদাবাদে অধিনায়ক শুভমন গিল এবং সাই সুদর্শন শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। দুই ব্যাটার শতরানের জুটি গড়ে চেন্নাইয়ের বোলারদের ছন্দ নষ্ট করে দেন। শুভমন দ্রুত গতিতে রান করেন, অন্যদিকে সুদর্শন নিজের দুর্দান্ত ফর্ম বজায় রাখেন। একবার গুজরাট বড় স্কোর গড়ে তোলার পর ম্যাচ পুরোপুরি একতরফা হয়ে যায়।

বোলাররা তুললেন ঝড়

ব্যাটারদের পর বোলাররাও চেন্নাইয়ের আশা পুরো শেষ করে দেন। মোহাম্মদ সিরাজ নতুন বলে চাপ তৈরি করেন, অন্যদিকে রশিদ খান নিজের জালে ব্যাটারদের ফাঁসিয়ে ফেলেন। চেন্নাইয়ের ব্যাটিং লাইনআপ পুরো ভেঙে পড়ে। গুজরাটের বিশেষত্ব ছিল, তাদের বোলাররা ধারাবাহিকভাবে ব্যাটারদের অস্বস্তিতে রাখার কৌশলে কাজ করে যাচ্ছে।

আহমেদাবাদ হয়ে উঠেছে দুর্গ

এই মরশুমে আহমেদাবাদ গুজরাট টাইটান্সের জন্য অজেয় দুর্গে পরিণত হয়েছে। দল এখানে একের পর এক জয় তুলে নিচ্ছে। পিচের অতিরিক্ত বাউন্স এবং সিম মুভমেন্ট পেসারদের সাহায্য করছে। প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা খোলাখুলি খেলার চেষ্টা করলেও গুজরাটের বোলিং আক্রমণ তাদের নিয়মিত চাপে রাখছে। এ কারণেই আহমেদাবাদ এখন প্রতিপক্ষদের জন্য সহজ মাঠ নয়।

নেহরার সিস্টেমই বড় শক্তি

আশিষ নেহরা গুজরাটকে শুধু খেলোয়াড়ের দল বানাননি, বরং একটি শক্তিশালী সিস্টেম তৈরি করেছেন। সিরাজ, কাগিসো রাবাডা, জেসন হোল্ডার এবং রশিদ খানের মতো বোলাররা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। দল ঘরের মাঠের পাশাপাশি বাইরেও একই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে জয় তুলে নিচ্ছে।

এবার ট্রফি থেকে মাত্র দুই ধাপ দূরে

গুজরাট টাইটান্স নিজেদের পঞ্চম মরশুমেই আবার ইতিহাস গড়ার পথে এগোচ্ছে। প্রথম মরশুমে শিরোপা, দ্বিতীয় মরশুমে ফাইনাল আর এবার আবার ট্রফির একেবারে দোরগোড়ায় দল দাঁড়িয়ে আছে। যদি দল কোয়ালিফায়ার-1 জিতে যায়, তাহলে ফাইনাল হবে আহমেদাবাদেই। আপাতত টুর্নামেন্টে এমন কাউকে দেখা যাচ্ছে না, যে গুজরাটকে তাদের ঘরের মাঠে থামাতে পারে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button