
বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ফাঁদে ফেলল, ৪৩৭ রানের পাহাড় আর চাপে পড়ল সফরকারী দল
সিলেট টেস্টে বাংলাদেশ পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে। লিটন দাসের ধারাবাহিক রান এবং নাহিদ রানা-তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে চাপে পড়েছে পাকিস্তান দল।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলা দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশ পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে। ম্যাচের তৃতীয় দিন পর্যন্ত পুরো ছবিটাই বদলে যেতে দেখা গেছে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৭৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে লিটন দাস সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন, আর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ২৯ রান।
পাকিস্তানি বোলারদের দাপট
বাংলাদেশকে প্রথম ইনিংসে বড় স্কোরে যেতে দেননি পাকিস্তানের বোলাররা। খুররম শাহজাদ সবচেয়ে সফল ছিলেন এবং ৪ উইকেট নেন। মোহাম্মদ আব্বাস ৩ উইকেট নেন, অন্যদিকে হাসান আলি ২ ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নে ফেরান। সাজিদ খানও ১টি উইকেট পান এবং পাকিস্তান ম্যাচে জোরালো প্রত্যাবর্তনের আশা দেখায়।
বাবর লড়লেন, দল পারল না
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটিং প্রত্যাশামতো হয়নি। পুরো দল মাত্র ২৩২ রানে গুটিয়ে যায়। বাবর আজম সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন এবং একাই লড়াই চালিয়ে যেতে দেখা যায়। সাজিদ খান ৩৮ রান করেন, কিন্তু অধিনায়ক শান মাসুদ এবং সালমান আগা বড় প্রভাব ফেলতে পারেননি। বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা এবং তাইজুল ইসলাম ৩টি করে উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং ভেঙে দেন।
লিড বদলে দিল ম্যাচের মোড়
প্রথম ইনিংসের ভিত্তিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ৪৬ রানের লিড পায়। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে দল দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ম্যাচের উপর নিজেদের দখল আরও শক্ত করে। ব্যাটাররা পাকিস্তানের বোলারদের দীর্ঘ সময় মাঠে দৌড় করিয়েছেন এবং স্কোরকে শক্ত জায়গায় নিয়ে গেছেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাড়ল সমস্যা
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৯০ রান করে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের বড় লক্ষ্য রাখে। লিটন দাস আবারও দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৬৯ রান করেন। মাহমুদুল হাসান জয়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। পাকিস্তানের হয়ে খুররম শাহজাদ আবার ৪ উইকেট নেন, আর সাজিদ খান পান ৩টি সাফল্য।
পাকিস্তানের খারাপ শুরু
তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে ২ ওভার খেললেও খাতা খুলতে পারেনি। ওপেনাররা সাবধানে শুরু করলেও রান তুলতে পারেননি। এখন চতুর্থ দিনে পাকিস্তানকে জয়ের জন্য দীর্ঘ লড়াই করতে হবে এবং বাংলাদেশের চোখ থাকবে ঐতিহাসিক জয়ের দিকে।





