Cricket

মুশফিকুর হলেন বাংলাদেশের ‘সচিন’, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গড়লেন নতুন ইতিহাস

সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত শতরান করে মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বাধিক শতরানের মালিক হয়েছেন। তাঁর ১৩৭ রানের ইনিংস বাংলাদেশকে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য গড়তে বড় সাহায্য করেছে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে চলা ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিকুর রহিম বড় ইতিহাস গড়েছেন। সিলেটে চলা ম্যাচের তৃতীয় দিনে তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত শতরান করেন এবং নিজের নামে একটি বড় রেকর্ড লিখে ফেলেন। তার এই ইনিংস শুধু দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়নি, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসেও তাকে বিশেষ জায়গা এনে দিয়েছে।

হলেন এক নম্বর ব্যাটার

মুশফিকুর রহিম এখন বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি শতরান করা ব্যাটার হয়ে গেছেন। এর আগে এই রেকর্ড ছিল মুমিনুল হকের নামে, যিনি ১৩টি টেস্ট শতরান করেছিলেন। কিন্তু এবার মুশফিকুর নিজের ১৪তম শতরান পূর্ণ করে নতুন ইতিহাস গড়লেন এবং তালিকার শীর্ষে উঠে গেলেন।

সচিনের সঙ্গে বড় তুলনা

ভারতীয় ক্রিকেটে টেস্ট শতরানের কথা উঠলে প্রথমেই মনে আসে সচিন তেন্ডুলকরের নাম। সচিন টিম ইন্ডিয়ার হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট শতরান করেছিলেন এবং বহু বছর সেই রেকর্ড ধরে রেখেছিলেন। এখন বাংলাদেশে মুশফিকুরকে ঠিক সেইভাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই তাকে বাংলাদেশের সচিন তেন্ডুলকর বলা হচ্ছে।

১৩৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস

মুশফিকুর রহিম অত্যন্ত ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যাটিং করেছেন। তিনি ২৩৩ বলে ১৩৭ রান করেন। নিজের ইনিংসে তিনি ১২টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন। তার ব্যাটিং দীর্ঘ সময় পাকিস্তানি বোলারদের চাপে রেখেছিল। প্রথম ইনিংসে তিনি মাত্র ২৩ রান করেছিলেন, কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।

বাংলাদেশ তৈরি করল চাপ

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৭৮ রানে অলআউট হয়ে যায়, আর পাকিস্তান করতে পারে মাত্র ২৩২ রান। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৩৯০ রান তোলে এবং ম্যাচের উপর নিজেদের দখল আরও শক্ত করে।

পাকিস্তানের ওপর হারার ছায়া

বাংলাদেশ পাকিস্তানের সামনে জয়ের জন্য ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়েছে। তৃতীয় দিন পর্যন্ত ম্যাচ পুরোপুরি স্বাগতিক দলের দিকেই যেতে দেখা যাচ্ছে। এখন পাকিস্তানকে ম্যাচ বাঁচাতে বড় ব্যাটিং করতে হবে, অন্যদিকে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের দিকে শক্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button