
বিরাট কোহলির দেহরক্ষীকে ঘিরে বিতর্ক, খেলোয়াড়রা কি ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী রাখতে পারেন?
ইংল্যান্ড সফরে বিরাট কোহলির ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কয়েকজন সাংবাদিক অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুললেও এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা বিসিসিআই-এর বিবৃতি আসেনি। এদিকে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী রাখার নিয়ম নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইংল্যান্ড সফরের সময় বিরাট কোহলির ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কয়েকজন ভারতীয় সাংবাদিক অভিযোগ করেছেন, ওই দেহরক্ষী তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এবং আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা পদক্ষেপের তথ্য সামনে আসেনি।
বিসিসিআই-এর নিয়ম কী বলছে?
বিসিসিআই-এর বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশ সফর বা ঘরোয়া সিরিজ চলাকালীন কোনো খেলোয়াড়কে সাধারণভাবে নিজের ব্যক্তিগত স্টাফ বা ব্যক্তিগত দেহরক্ষী সঙ্গে রাখার অনুমতি দেওয়া হয় না। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকে বিসিসিআই এবং আয়োজক বোর্ডের ওপর। যদি কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী থাকেন, তাহলে তার জন্য বিশেষ অনুমতি নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইংল্যান্ড সফরে দেহরক্ষীর সঙ্গে দেখা গেছে
ইংল্যান্ড সফরের সময় বিরাট কোহলিকে একাধিকবার তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর সঙ্গে দেখা গেছে। দলীয় হোটেল এবং বাইরে যাওয়ার সময়ও তিনি তার সঙ্গে ছিলেন। এ কারণেই প্রশ্ন উঠেছে, তিনি কি এর জন্য বিশেষ অনুমতি পেয়েছেন?
সাংবাদিকদের গুরুতর অভিযোগ
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েকজন সাংবাদিকের অভিযোগ, কার্ডিফে রওনা হওয়ার আগে দলীয় বাসের ছবি তোলার সময় ওই দেহরক্ষী তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। কিছু প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এক সমর্থকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সেটির ক্ষতি করা হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ এখনও হয়নি।
আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা
এখন সবার নজর বিসিসিআই এবং বিরাট কোহলির প্রতিক্রিয়ার দিকে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত বোর্ডের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
মাঠের বাইরেও আলোচনায় বিরাট
প্রথম একদিনের ম্যাচে বিরাট কোহলি ব্যাট হাতে মাত্র ৫ রান করেছিলেন। এখন দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচের আগে তার ব্যাটিংয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে ঘিরে বিতর্কই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। সমর্থকদের আশা, বিষয়টি দ্রুত পরিষ্কার হবে এবং বিরাটের পুরো মনোযোগ আবার মাঠের খেলায় ফিরে আসবে।





