Cricket

বিরাট-অনুষ্কা এখানে খুঁজে পান মানসিক শান্তি, প্রতিটি বড় সফরের আগে পৌঁছে যান এই ধর্মীয় স্থানে

Virat Kohli এবং Anushka Sharma মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক শক্তির খোঁজে নিয়মিত বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে যান। Kainchi Dham, Rishikesh, Vrindavan এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানের সঙ্গে তাঁদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

ভারতীয় ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলি এবং বলিউড অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মার আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। দুজনেই একাধিকবার উত্তরাখণ্ডের বিখ্যাত কেঁচি ধামে গিয়েছেন। নিম করৌলি বাবার এই আশ্রম দেশ-বিদেশের ভক্তদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। মনে করা হয়, এখানকার শান্ত পরিবেশ এবং আধ্যাত্মিক আবহ মানুষকে মানসিক স্বস্তি দেয়। বিরাট এবং অনুষ্কাকেও বহুবার এখানে দর্শন করতে দেখা গেছে।

ঋষিকেশে খোঁজেন শান্তি

ঋষিকেশও সেই বিশেষ স্থানগুলোর মধ্যে একটি, যেখানে এই জুটি সময়ে সময়ে গিয়েছেন। গঙ্গার তীরে অবস্থিত এই ধর্মীয় শহরে যোগ, ধ্যান এবং আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এখানকার আশ্রমগুলোতে কিছু সময় কাটিয়ে তাঁরা মানসিক শান্তি এবং ইতিবাচক শক্তি পাওয়ার চেষ্টা করেন। ত্রিবেণী ঘাটের আরতিও এখানে আগতদের জন্য এক বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

বৃন্দাবনের সঙ্গেও রয়েছে সম্পর্ক

ভগবান কৃষ্ণের নগরী বৃন্দাবনও বিরাট এবং অনুষ্কার প্রিয় আধ্যাত্মিক স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম। দুজনেই একাধিকবার প্রেমানন্দ মহারাজের দর্শনের জন্য এখানে পৌঁছেছেন। বৃন্দাবনের ভক্তিময় পরিবেশ, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি এবং কীর্তন ভক্তদের আধ্যাত্মিক অনুভূতি দেয়। বিরাটও বহুবার ভগবান কৃষ্ণের প্রতি নিজের বিশ্বাসের কথা প্রকাশ করেছেন।

মহাকাল ও স্বর্ণ মন্দিরেও দর্শন

উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দির এবং অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরেও বিরাট ও অনুষ্কা একাধিকবার প্রণাম করতে গিয়েছেন। মহাকালেশ্বর মন্দির ভগবান শিবের প্রধান জ্যোতির্লিঙ্গগুলোর একটি, আর স্বর্ণ মন্দির তার শান্তি, সেবা এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশের জন্য বিখ্যাত। এই দুই স্থানেই গিয়ে তাঁরা আশীর্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি আত্মিক শান্তিও অনুভব করেন।

আধ্যাত্মিকতা জীবনের অংশ

মাঠের চাপ এবং গ্ল্যামার জগতের ব্যস্ততার মাঝেও বিরাট এবং অনুষ্কা আধ্যাত্মিকতাকে নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন। মন্দির, আশ্রম এবং ধর্মীয় স্থানে ভ্রমণ তাঁদের কাছে শুধু দর্শনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানসিক ভারসাম্য এবং ইতিবাচক চিন্তা বজায় রাখারও একটি উপায়।

ভক্তরাও পাচ্ছেন অনুপ্রেরণা

বিরাট এবং অনুষ্কার এই ভ্রমণের পর এসব ধর্মীয় স্থান নিয়ে মানুষের আগ্রহও বেড়েছে। অনেক ভক্ত মনে করেন, সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছেও তাঁদের নিজের বিশ্বাস এবং আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের সঙ্গে যুক্ত থাকা একটি ইতিবাচক বার্তা দেয়। সেই কারণেই তাঁদের ধর্মীয় সফরগুলো প্রায়ই আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button