Cricket

37 বছর বয়সে তামিমের বড় কৃতিত্ব, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় চেয়ারে বসে গড়লেন ইতিহাস

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক Tamim Iqbal 37 বছর বয়সে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি হয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছেন। বিপুল সমর্থনে নির্বাচিত হয়ে তিনি ক্রিকেট প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন ইনিংস শুরু করে ইতিহাস গড়েছেন। 37 বছর বয়সে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি হয়েছেন। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি বিপুল সমর্থন পেয়েছেন এবং বড় জয় অর্জন করেছেন। এর মাধ্যমে ক্রিকেট মাঠের পর এবার প্রশাসনিক দায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তামিম।

একতরফা জয়ে পেলেন দায়িত্ব

সভাপতি পদে নির্বাচনে তামিম ইকবাল 75 ভোটের মধ্যে 73টি ভোট পেয়েছেন। এই দুর্দান্ত জয় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বোর্ডের ভেতরে তাঁর শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে। তাঁর মেয়াদ আগামী 4 বছর পর্যন্ত চলবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এই পরিবর্তন এমন সময়ে এসেছে যখন বোর্ডের কার্যক্রম এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছিল।

বোর্ডে সংস্কারের প্রস্তুতি

সভাপতি হওয়ার পর তামিম স্পষ্টভাবে বলেছেন যে বোর্ডের ভেতরে অনেক ত্রুটি রয়েছে, যেগুলো নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। তিনি জানান, আগামী বার্ষিক সভায় এসব বিষয় উত্থাপন করা হবে। তামিম এটাও স্বীকার করেছেন যে এখনও অনেক বোর্ড সদস্যের সঙ্গে তাঁর আরও ভালো সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে এবং তিনি সবার সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মতামত জানতে চান।

স্বচ্ছতার ওপর থাকবে জোর

তামিম ইকবাল তাঁর মেয়াদের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হিসেবে স্বচ্ছতার কথা বলেছেন। তাঁর মতে, বোর্ডের প্রতিটি সিদ্ধান্ত স্পষ্ট এবং নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে যাতে কোনো ধরনের বিতর্ক বা প্রশ্নের সুযোগ কমে যায়। তাঁর বিশ্বাস, ক্রিকেট প্রশাসনে আস্থা বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ক্রিকেট থেকে প্রশাসনে যাত্রা

তামিম ইকবাল বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে বিবেচিত হন। তিনি প্রায় 15 বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন এবং দেশের হয়ে 70টি টেস্ট ও 243টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। এখন সেই খেলোয়াড়ই ক্রিকেট মাঠ ছেড়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট আশা করছে, তামিমের অভিজ্ঞতা বোর্ডকে নতুন দিশা দিতে সাহায্য করবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button