
প্লে অফের লড়াইয়ে বড় উলটপালট, বাকি 12 ম্যাচ, একাধিক দলের ভাগ্য ঝুলে অনিশ্চয়তায়
আইপিএল 2026-এ প্লে অফের লড়াই এখন চরম উত্তেজনাপূর্ণ। লিগ পর্বে বাকি 12 ম্যাচে গুজরাট ও আরসিবি শক্ত অবস্থানে থাকলেও পাঞ্জাব, চেন্নাই, কলকাতা ও দিল্লির ভাগ্য এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যে ঝুলে রয়েছে।
আইপিএল 2026 এখন সবচেয়ে রোমাঞ্চকর পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। লিগ পর্বে আর মাত্র 12টি ম্যাচ বাকি রয়েছে, কিন্তু তারপরও প্লে অফের ছবি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে সমীকরণ এবং পয়েন্ট তালিকায় উপরে-নিচের খেলা অব্যাহত রয়েছে। কিছু দল প্রায় নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে, আবার কিছু দলের আশা ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
দুটি দল প্রায় বিদায়ের পথে
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং লখনউ সুপার জায়ান্টসের যাত্রা প্রায় শেষ বলেই ধরা হচ্ছে। দুই দল কাগজে-কলমে এখনও দৌড়ে থাকলেও বর্তমান সমীকরণ তাদের বাইরে ধরে নিচ্ছে। ধারাবাহিক খারাপ পারফরম্যান্স এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পরাজয় তাদের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফেরার পথ প্রায় বন্ধ।
সবচেয়ে শক্ত অবস্থানে গুজরাট এবং বেঙ্গালুরু
গুজরাট টাইটান্স এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। গুজরাটের টপ-4-এ ওঠার সম্ভাবনা 99.9 শতাংশ বলা হচ্ছে, আর টপ-2-এ যাওয়ার সুযোগও অত্যন্ত উজ্জ্বল। অন্যদিকে বেঙ্গালুরুও দুর্দান্ত অবস্থানে রয়েছে এবং তাদের টপ-4-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা 99 শতাংশেরও বেশি।
হায়দরাবাদের শক্ত অবস্থান
সানরাইজার্স হায়দরাবাদও প্লে অফের দৌড়ে মজবুত অবস্থানে রয়েছে। দলের সম্ভাবনা বেশ ভালো বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন যদি হায়দরাবাদকে ছিটকে যেতে হয় তাহলে তাদের অত্যন্ত খারাপ পারফরম্যান্স করতে হবে। ধারাবাহিক ভারসাম্যপূর্ণ ক্রিকেট তাদের অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে।
পাঞ্জাব এবং চেন্নাইয়ের চাপ
সাম্প্রতিক হার পাঞ্জাব কিংসকে সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছে। দলের সম্ভাবনা কমেছে এবং এখন বাকি ম্যাচগুলো প্রায় জিততেই হবে। অন্যদিকে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রাজস্থান রয়্যালস মাঝপথে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সুযোগ এখনও আছে, কিন্তু ভুলের সুযোগ এখন খুবই কম।
প্রতিটি ম্যাচ বদলে দেবে গল্প
কলকাতা এবং দিল্লির জন্য পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত কঠিন হয়ে গেছে। দুই দলের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে বাকি 12টি ম্যাচ পুরো টুর্নামেন্টের ছবিই বদলে দিতে পারে। একটি জয় কোনও দলকে অনেক উপরে তুলে দিতে পারে, আবার একটি হার পুরো মরশুম শেষ করে দিতে পারে। এখন প্রতিটি ম্যাচই কার্যত ফাইনালের মতো হতে চলেছে।





