
২০৩০ পর্যন্ত বদলে যাবে খেলার অঙ্ক, এক ম্যাচের আয়ও হবে কোটিতে, করা হল এই বড় দাবি !
Lalit Modi দাবি করেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে Indian Premier League-এ শীর্ষ খেলোয়াড়রা এক সিজনে ১৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। বাড়তে থাকা গ্লোবাল ভ্যালু ও বিনিয়োগ ক্রিকেটের অর্থনীতিই বদলে দিতে পারে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট লিগ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে নিয়ে একটি চমকপ্রদ ভবিষ্যদ্বাণী সামনে এসেছে। প্রাক্তন চেয়ারম্যান ললিত মোদি বলেছেন যে আগামী সময়ে খেলোয়াড়দের আয় বহু গুণ বেড়ে যেতে পারে। তাঁর মতে ২০৩০ সালের মধ্যে এই লিগে শীর্ষ খেলোয়াড়রা এক সিজনের জন্য প্রায় ১৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। এই পরিমাণ বর্তমান সময়ের তুলনায় বিশাল পরিবর্তন হিসেবে ধরা হচ্ছে।
আজকের তুলনায় অনেক বেশি টাকা
বর্তমানে আইপিএলে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়দের মধ্যে ঋষভ পন্তের নাম শীর্ষে, যিনি এক সিজনের জন্য ২৭ কোটি টাকা পেয়েছেন। অন্যদিকে শ্রেয়স আইয়ার এবং ক্যামেরন গ্রিনের মতো খেলোয়াড়রাও ২৫ কোটির বেশি আয় করেছেন। তবে ললিত মোদির মতে আগামী কয়েক বছরে ফ্র্যাঞ্চাইজির মোট বাজেট অর্থাৎ প্লেয়ার পার্স প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যার ফলে খেলোয়াড়দের বেতনে বড় উল্লম্ফন দেখা যাবে।
প্রতি ম্যাচের আয়ও চমকে দেবে
মোদির মতে ভবিষ্যতে একজন খেলোয়াড় প্রতি ম্যাচে প্রায় ১ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ৯ কোটি টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। এর মানে একটি সিজনে একজন খেলোয়াড় সহজেই প্রায় ১৫০ কোটি টাকা আয় করতে পারেন। এই মডেল লিগকে আরও বেশি গ্লোবাল এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে।
জ্যাকব বেথেলের উদাহরণ
এই ভবিষ্যদ্বাণী ব্যাখ্যা করতে মোদি ইংল্যান্ডের তরুণ খেলোয়াড় জ্যাকব বেথেলের উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে এই খেলোয়াড় ভবিষ্যতে বড় নাম হয়ে উঠতে পারেন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি আয় করা খেলোয়াড়দের মধ্যে থাকতে পারেন। বেথেল তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্স এবং আক্রমণাত্মক স্টাইলের জন্য পরিচিত, যা তাঁকে আলাদা করে তোলে।
তরুণ তারকার উপর বাড়ছে নজর
জ্যাকব বেথেল বর্তমানে ২১ বছর বয়সী এবং সম্প্রতি আইপিএলে অভিষেক করেছেন। তিনি অল্প ম্যাচেই নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন এবং দুর্দান্ত স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন। এই কারণেই তাঁকে ভবিষ্যতের বড় খেলোয়াড় হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং তাঁর তুলনা বড় নামগুলির সঙ্গে করা হচ্ছে।
আইপিএলের বাড়তে থাকা প্রভাব
এটা পরিষ্কার যে আইপিএল ক্রমাগত নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে। বাড়তে থাকা আয়, গ্লোবাল দর্শকসংখ্যা এবং বড় বিনিয়োগের কারণে আগামী বছরগুলিতে এই লিগ আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। যদি ললিত মোদির ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়, তাহলে ক্রিকেটের জগতে একটি নতুন আর্থিক যুগের সূচনা হতে পারে।





