
কর্ণাটককে হারিয়ে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হলো জম্মু-কাশ্মীর, এই খেলোয়াড়ই ছিলেন নায়ক !
কর্ণাটককে হারিয়ে জম্মু-কাশ্মীর প্রথমবার রঞ্জি ট্রফি জিতেছে। প্রথম ইনিংসে ৫৮৪ রান ও বড় লিডের ভিত্তিতে ড্র ম্যাচেও শিরোপা নিশ্চিত হয়। আকিব নবি ৬০ উইকেট নিয়ে মৌসুমের সেরা বোলার হয়ে নায়ক।
জম্মু-কাশ্মীরের দল ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন অধ্যায় লিখে দিল। রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে তারা শক্তিশালী বলে ধরা হওয়া কর্ণাটককে হারিয়ে প্রথমবার শিরোপা জিতে নিল। 1959-60 সালে প্রথমবার টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া এই দল 67 বছর পর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই জয়কে প্রদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত বলে ধরা হচ্ছে।
প্রথম ইনিংসেই গড়ে তোলে দখল
ফাইনাল ম্যাচে জম্মু-কাশ্মীর প্রথম ইনিংসে 584 রানের বিশাল স্কোর গড়ে তোলে। জবাবে কর্ণাটক দল 293 রানে অলআউট হয়ে যায়। এখান থেকেই ম্যাচের মোড় পরিষ্কার হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসের বড় লিড কর্ণাটককে চাপে ফেলে দেয়।
দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত ব্যাটিং
দ্বিতীয় ইনিংসেও জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটসম্যানরা দুর্দান্ত খেলা দেখান। কামরান ইকবাল 160 রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন। সাহিলও শতরান করে দলকে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেন। মোট লিড 630 রানের বেশি হয়ে যায়, ফলে ম্যাচ প্রায় একতরফা হয়ে পড়ে।
নিয়মেই মিলল ট্রফি
ম্যাচ শেষ পর্যন্ত ড্র হয়, কিন্তু রঞ্জি ট্রফির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়া দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। সেই ভিত্তিতেই জম্মু-কাশ্মীরকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। বিশেষ বিষয় হলো দলটি প্রথমবার ফাইনালে পৌঁছে সরাসরি ট্রফি জিতে নিল।
আকিব নবি হলেন নায়ক
এই জয়ের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন পেসার আকিব নবি। তিনি পুরো মৌসুমে 60 উইকেট নিয়েছেন এবং সর্বাধিক উইকেট নেওয়া বোলার হয়েছেন। ফাইনালের প্রথম ইনিংসেও তিনি 5 উইকেট নিয়েছিলেন। সেমিফাইনাল ও কোয়ার্টার ফাইনালেও তাঁর পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত।
মুখ্যমন্ত্রী জানালেন অভিনন্দন
ফাইনালের সময় প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী উমর আবদুল্লাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা করে তাদের অভিনন্দন জানান। তাঁর বক্তব্য ছিল যে এই জয় আগামী প্রজন্মকে খেলাধুলার দিকে অনুপ্রাণিত করবে। জম্মু-কাশ্মীরের এই সাফল্য দীর্ঘদিন মনে রাখা হবে।





