
টি২০ বিশ্বকাপের আগে ভিসা আটকে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের উপর সংকট, প্রস্তুতিতে ব্যস্ত দলগুলোর বাড়ছে টেনশন
ICC Men's T20 World Cup–এর আগে ভিসা জটিলতায় বাড়ছে টেনশন। আমেরিকা ও ইংল্যান্ড দলের পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত কয়েকজন খেলোয়াড় এখনও ভারতের ভিসা পাননি, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ শুরু হতে এখন এক মাসেরও কম সময় বাকি। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বড় টুর্নামেন্টকে ঘিরে সব দলই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। কিন্তু বিশ্বকাপের ঠিক আগে ভিসা সংক্রান্ত একটি বিষয় সামনে এসেছে, যা কয়েকটি দলের সমস্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের নিয়ে পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট নয়।
আমেরিকা দলের ৪ খেলোয়াড় আটকে
আমেরিকার দলের ৪ জন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় এখনও পর্যন্ত ভারতের ভিসা পাননি। এদের মধ্যে রয়েছেন আলি খান, শায়ান জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মহসিন এবং এহসান আদিল। ভিসা পেতে দেরি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে এই খেলোয়াড়রা ভারতে ঢুকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দেরও সমস্যা
শুধু আমেরিকা নয়, ইংল্যান্ড দলের দুই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়ও ভিসা পেতে দেরির মুখে পড়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন রেহান আহমেদ ও আদিল রশিদ। এই মুহূর্তে আদিল রশিদ দক্ষিণ আফ্রিকার একটি লিগে খেলছেন, আর রেহান আহমেদ অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগে ব্যস্ত। এমন অবস্থায় বিশ্বকাপের আগে তাঁদের ভারতে পৌঁছানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আগেও দেখা গিয়েছে এমন পরিস্থিতি
এটা প্রথমবার নয়, যখন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ভারতের ভিসা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। প্রায় ২ বছর আগে ইংল্যান্ডেরই এক খেলোয়াড় শোয়েব বশির এই কারণেই প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারেননি। তখন তাঁকে দুবাই থেকে লন্ডনে ফিরে যেতে হয়েছিল। সেই পুরনো অভিজ্ঞতার কারণেই এবার দলগুলো এই দেরি নিয়ে আরও বেশি সতর্ক।
প্রস্তুতিতে পড়তে পারে প্রভাব
টি২০ বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টের আগে অনুশীলন এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া খুবই জরুরি। যদি খেলোয়াড়রা সময়মতো ভিসা না পান, তাহলে তাদের প্রস্তুতিতে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। দল গঠন ও কৌশল ঠিক করতেও সমস্যা হতে পারে, কারণ কোচ ও অধিনায়ক পুরো দলকে নিয়ে অনুশীলন করতে চান।
সমাধানের দিকেই সবার নজর
এই মুহূর্তে সব দল ও ক্রিকেট বোর্ড পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। আশা করা হচ্ছে, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ভিসা সংক্রান্ত সব জটিলতা মিটে যাবে। যদি তা না হয়, তাহলে এই বিষয়টি শুধু খেলোয়াড়দের জন্য নয়, পুরো টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে এই নিয়ে কী সিদ্ধান্ত সামনে আসে।





