
আবার বেতন বিতর্কে জড়াল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, পাকিস্তানি ক্রিকেটারের বিস্ফোরক দাবি, পুরনো বকেয়ায় বাড়ল লিগের অস্বস্তি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ আবার বেতন বিতর্কে। পাকিস্তানি ক্রিকেটার হায়দার আলির বিস্ফোরক দাবি, আগের মরসুমের পারিশ্রমিক এখনও বকেয়া। নতুন মরসুম শুরুর মাঝেই এই অভিযোগ বিপিএলের ব্যবস্থাপনা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।
3-
বিশ্বজুড়ে টি২০ লিগের বিস্তার দ্রুতগতিতে হয়েছে এবং বহু দেশ আইপিএলের আদলে নিজেদের লিগ শুরু করেছে। তবে সাফল্য ও লাভের দিক থেকে খুব কম লিগই টিকে থাকতে পেরেছে। এর মধ্যেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বারবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিপিএলের ভাবমূর্তি বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে। নতুন মরসুম শুরু হতেই আবারও সেই পুরনো সমস্যা সামনে এসেছে, যা লিগের ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।
নতুন মরসুম শুরু, আগেই বিতর্ক
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বাদশ মরসুম শুরু হয়েছে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে, কিন্তু তার আগেই লিগ জটিলতায় পড়ে যায়। চট্টগ্রাম রয়্যালস ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকরা মরসুম শুরুর ঠিক একদিন আগে দল থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন। এরপর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়িত্ব নিতে হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই পারিশ্রমিক সংক্রান্ত পুরনো বিষয় আবার সামনে আসে, যা লিগের প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা দেয়।
হায়দার আলির বড় দাবি
এবার বিতর্কে আগুন জ্বালিয়েছেন পাকিস্তানি ব্যাটার হায়দার আলি। নোয়াখালি এক্সপ্রেসের হয়ে খেলছেন তিনি। হায়দার আলি দাবি করেছেন, গত মরসুমের পুরো পারিশ্রমিক তিনি এখনও পাননি। তিনি জানান, তিনি চিটাগং দলের হয়ে খেলেছিলেন এবং প্রায় ৪০ হাজার ডলার অর্থাৎ প্রায় ৩৬ লাখ টাকা এখনও বকেয়া রয়েছে। হায়দার আলির বক্তব্য, সময়মতো টাকা না পেলে একজন ক্রিকেটারের পক্ষে ঠিক করা কঠিন হয়ে যায় যে এই লিগে খেলা আদৌ সঠিক সিদ্ধান্ত কি না।
পুরনো ইতিহাস আর বাড়তে থাকা উদ্বেগ
এটাই প্রথম নয় যখন বিপিএলে বেতন সংক্রান্ত বিতর্ক সামনে এল। গত মরসুমে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে খেলোয়াড়রা অনুশীলন সেশন বয়কট করেছিলেন। বিশেষ করে দরবার রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজির বিরুদ্ধে বারবার টাকা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। বিদেশি ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বকেয়া থাকায় বিতর্ক আরও তীব্র হয় এবং ম্যাচ শুরুর সময় নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। তখন পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি স্তর পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল। এবার আবার পারিশ্রমিক বিতর্ক সামনে আসায় বিপিএলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।





