
Guwahati Test-এ Marco Jansen-এর তাণ্ডব! ব্যাটে ঝড় আর বলে ধ্বংসলীলা, Team India-র ওপর বাড়ল সিরিজ হারার আশঙ্কা
Guwahati টেস্টে মার্কো জানসেন ব্যাটে ৯৩ রান ও বলে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে দাপুটে অবস্থানে তুলেছেন। ভারতের ২০১ রানে অলআউট হওয়ায় সিরিজ হারার আশঙ্কা আরও বাড়ল।
Guwahati টেস্টের তৃতীয় দিন পুরোপুরি দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার মার্কো জানসেনের নামে লিখে দেওয়া যায়। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ৭ ছক্কা ও ৯ চারের সাহায্যে ৯৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলার পর বল হাতে ভারতের বিরুদ্ধে ৬ উইকেট ঝুলিতে পুরে নেন। তার মারাত্মক বোলিং ভারতীয় মিডল অর্ডারকে ভেঙে চুরমার করে দেয়। ফলাফল—ভারতের প্রথম ইনিংস ২০১ রানে গুটিয়ে যায় এবং দক্ষিণ আফ্রিকা লিড বাড়িয়ে নেয় ৩১৪ রানে। এর ফলে ম্যাচ ও সিরিজ হারের বড় বিপদ ভারতের সামনে দাঁড়িয়ে গেছে।
ভাল শুরু, কিন্তু মাঝপথে ভেঙে পড়ল ব্যাটিং
ভারতের হয়ে কেএল রাহুল (২২) ও যশস্বী জয়সওয়াল (৫৮) প্রথম উইকেটে ৬৫ রান যোগ করে টিমকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন। জয়সওয়াল দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরিও করেছিলেন। কিন্তু তার আউট হওয়ার পরেই ছবিটা পাল্টে যায়। কেশব মহারাজ প্রথম আঘাত দেন এবং তারপর সাইমন হার্মার টানা দুই উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেন। এরপর মঞ্চে আসেন মার্কো জানসেন এবং পুরো ম্যাচের গতি ঘুরিয়ে দেন। জুরেল (০), পন্ত (৭), নীতীশ রেড্ডি (১০), জাডেজা (৬)—সবাইকে দ্রুত সাজঘরে ফেরান তিনি।
ইতিহাস গড়া তৃতীয় বোলার হলেন জানসেন
জানসেন কুলদীপ যাদবকে আউট করে নিজের ‘ফাইফার’ সম্পূর্ণ করেন এবং বুমরাহকে আউট করে ইনিংসে ৬ উইকেট পূর্ণ করেন। বছর ২০০০ সালের পর তিনি বিশ্বের মাত্র তৃতীয় বোলার, যিনি ভারতে এসে একটি টেস্টে ৫০+ রান করার পাশাপাশি পাঁচ উইকেটও তুলে নিয়েছেন। ব্যাটিংয়েও তিনি রেকর্ডের কাছে পৌঁছে যান—২০০৬ সালে শহীদ আফ্রিদির করা ৭ ছক্কার রেকর্ডের সমতা গড়ে ভারতের বিরুদ্ধে এক ইনিংসে সর্বাধিক ছক্কা মারা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় জায়গা করে নেন।
ভারতের বিপদ বাড়ল, সিরিজ হাতছাড়ার আশঙ্কা
কলকাতা টেস্ট হেরে ভারত সিরিজে আগেই ০-১ পিছিয়ে আছে। এখন গुवাহাটিতেও পরিস্থিতি ভালো নয়। তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট না হারিয়ে ২৬ রান তোলে এবং মোট লিড দাঁড়ায় ৩১৪ রান। ভারতের প্রথম ইনিংস যেভাবে ভেঙে পড়েছে, তাতে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করার আশা প্রায় অসম্ভব। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ১৫০–২০০ রান যোগ করতে পারে, তাহলে ভারতকে ৪০০–৪৫০ রানের বিশাল টার্গেট পেতে হতে পারে। টেস্ট ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করলে, এই লক্ষ্য তাড়া করা প্রায় অবাস্তব।





