
তিন বছর পর নুরুল হাসানের টি–২০ দলে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, মেহেদী মিরাজ বাদ
বাংলাদেশের ১৬ সদস্যের টি–২০ দলে তিন বছর পর ফিরলেন নুরুল হাসান। মেহেদী মিরাজ বাদ, সাইফ হাসানেরও প্রত্যাবর্তন। লিটন দাস অধিনায়ক, মুস্তাফিজ–তাসকিনের বোলিং জুটি বজায় থাকছে। সিরিজ শুরু হবে ৩০ আগস্ট সিলেটে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড শুক্রবার ১৬ সদস্যের টি–২০ আন্তর্জাতিক দল ঘোষণা করেছে, যেখানে সবচেয়ে বড় নাম অভিজ্ঞ উইকেটকিপার–ব্যাটার নুরুল হাসান। নুরুল প্রায় তিন বছর পর টি–২০ দলে ফিরছেন। তিনি শেষবার ২০২২ সালের নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি–২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং সম্প্রতি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে ভালো খেলা—এই প্রত্যাবর্তনের বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
সাইফ হাসানের টি–২০ দলে ফেরা
নুরুলের সঙ্গে ওপেনার সাইফ হাসানও প্রায় দেড় বছর পর টি–২০ দলে ফিরেছেন। সাইফ শেষবার বাংলাদেশের হয়ে এশিয়ান গেমস ২০২৩–এ খেলেছিলেন, এরপর তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, মেহেদী হাসান মিরাজ, যিনি আগের টি–২০ স্কোয়াডে ছিলেন, এবার দলে জায়গা পাননি এবং রিজার্ভ তালিকায় রাখা হয়েছে। এশিয়া কাপের জন্য ঘোষিত স্ট্যান্ডবাই তালিকায় সৌম্য সরকার, তানভীর ইসলাম ও হাসান মাহমুদও আছেন। উল্লেখযোগ্য হলো—সাবেক টি–২০ অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্তর নাম রিজার্ভ তালিকাতেও নেই।
১৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
ঘোষিত ১৬ সদস্যের স্কোয়াড নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি–২০ সিরিজও খেলবে, যার সূচনা হবে ৩০ আগস্ট সিলেটে। দলের নেতৃত্বে থাকবেন লিটন দাস। তানজিদ হাসান, পারভেজ ইমন, তৌহিদ হৃদয় ও শামীম হাসানকেও দলে রাখা হয়েছে, আর বোলিং বিভাগে মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, তানজিম সাকিব ও নাসুম আহমেদের মতো অভিজ্ঞ–যুবাদের সমন্বয় দেখা যাবে।
অলরাউন্ডারদের অগ্রাধিকার
দলে অলরাউন্ডার হিসেবে মাহেদী হাসান ও শেখ মাহেদী হাসানকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, আর লেগ–স্পিনার রিশাদ হাসান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। নুরুল হাসানের প্রত্যাবর্তনকে দল বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, কারণ তিনি শুধু উইকেটের পিছনে অভিজ্ঞ নন, নিচের দিকে ব্যাটিং করে ম্যাচ ফিনিশ করার ক্ষমতাও রাখেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড স্পষ্ট করেছে—এ স্কোয়াড এশিয়া কাপের আগে দল গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





